Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Festival and celebrations

1 year ago

Ganesh Chaturthi 2025: ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’—ভক্তির মেলবন্ধনে আগমন ‘বিঘ্নহর্তা’র শুভ উৎসব!

Ganesh Chaturthi 2025
Ganesh Chaturthi 2025

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: গণেশ চতুর্থী হিন্দু ধর্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব, যা প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালন করা হয়। ২০২৫ সালে এই উৎসব উদযাপিত হবে ২৬ আগস্ট সোমবার, আর গণেশ মূর্তির বিসর্জন অনুষ্ঠিত হবে ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার। 

এই উৎসবের মূল আকর্ষণ হল ভগবান গণেশের মূর্তিকে ঘরে বা মণ্ডপে স্থাপন করে তাঁকে পূজা করা, যা চলে মোট দশদিন পর্যন্ত। ২০২৫ সালে চতুর্থী তিথি শুরু হবে ২৬ আগস্ট দুপুর ১:৫৪ মিনিটে এবং শেষ হবে ২৭ আগস্ট দুপুর ৩:৪৪ মিনিটে। এই সময়কালের মধ্যেই গণেশের “প্রাণ প্রতিষ্ঠা” ও মূল পূজার আচার অনুষ্ঠিত হয়। পুরাণ মতে, দেবী পার্বতী স্বয়ং তাঁর স্নানের ফেনা দিয়ে গণেশকে সৃষ্টি করেছিলেন এবং তাঁকে নিজের দেহরক্ষী হিসেবে রেখেছিলেন। একবার শিবজী পার্বতীর অনুমতি না নিয়েই ঘরে প্রবেশ করতে গেলে গণেশ তাঁকে বাধা দেন। রুষ্ট হয়ে শিব গণেশের শিরচ্ছেদ করেন। পরে দেবী পার্বতীর অনুরোধে একটি হাতির মাথা জুড়ে তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করা হয় এবং তখন থেকেই গণেশ হন “বিঘ্নহর্তা” ও সকল শুভ কাজের আগমূর্ত্তি। গণেশ চতুর্থীতে ভক্তরা ঘরে বা প্যান্ডেলে গণেশ ঠাকুরের মূর্তি স্থাপন করে নানা আচার পালনের মাধ্যমে পূজা করেন। আরতি, ভোগ নিবেদন, মন্ত্রপাঠ, ও ধূপ-দীপ দিয়ে দেবতাকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। গণেশের প্রিয় ভোগ হল ‘মোদক’, যার মধ্যে নারকেল ও গুড় দেওয়া মিষ্টি পুর থাকে।

গণেশ চতুর্থীর সঙ্গে একটি বিশ্বাসও জড়িয়ে রয়েছে—এই দিনে চাঁদ দেখা অশুভ বলে গণ্য। কারণ এই দিনে চাঁদ দেখে শ্রীকৃষ্ণ ভুলভাবে গণেশকে চোর বলে সন্দেহ করেছিলেন এবং পরে সেই অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে তাঁকেই আবার পূজা করতে হয়েছিল। তাই অনেকেই এই দিন চাঁদের দিকে না তাকানোর চেষ্টা করেন। উৎসবের অন্তিম দিন ‘অনন্ত চতুর্দশী’-তে গণেশ বিসর্জন হয়। এই দিনে ভক্তরা গান, নাচ, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে, “গণপতি বাপ্পা মোরিয়া, আগলে বরস তু জলদি আ” ধ্বনি তুলে মূর্তি জলাশয়ে বিসর্জন দেন।

এই উৎসব মূলত মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, গোয়া প্রভৃতি রাজ্যে এটি বিশেষভাবে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়। তবে আজকাল পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, গুজরাট সহ অন্যান্য রাজ্যেও গণেশ চতুর্থী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গণেশ চতুর্থী শুধুমাত্র দেবতার পূজা নয়, বরং একতার বার্তা, সংস্কৃতির উদযাপন এবং নতুন সূচনার প্রেরণা। ২০২৫ সালের এই উৎসবও সেই ঐতিহ্যকেই বহন করে চলবে — আশীর্বাদ, আনন্দ ও ভক্তির মেলবন্ধনে।

You might also like!