West Bengal

3 years ago

Dandavat Parikrama : আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে জোড়া চিঠি সুকান্তের

Dandavat Parikrama Issue
Dandavat Parikrama Issue

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে প্রায় ২০০ জন মহিলা তাঁদের পরিবার-সহ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পর ফের তৃণমূলে ফিরে আসায় তাঁদের মধ্যে ৪ জনকে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করাতে দণ্ডি কাটানো হয়। ঘটনাচক্রে ওই ৪ জন মহিলা তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের। এ নিয়েই আদিবাসী সমাজের প্রতি বাংলার শাসকদলের ‘নিম্নরুচির মানসিকতা’ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।উক্ত বিষয়টিকে জাতীয় স্তরে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হল গেরুয়া শিবির। বিষয়টি চিঠি দিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

উল্লেখ্য এর আগেও দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু , যিনি আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত তার প্রসঙ্গে বিরূপ মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তাঁর মন্ত্রিসভার এক সদস্যের এ হেন মন্তব্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রী রাষ্ট্রপতিকে গেরুয়া শিবিরের এই চিঠি রাজনৈতিক দিক থেকে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।

রাষ্ট্রপতিকে পাঠানো চিঠিতে সুকান্ত লিখেছেন, ‘‘যন্ত্রণার সঙ্গে একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা আপনার কাছে তুলে ধরছি। আমার লোকসভা কেন্দ্র বালুরঘাটের অন্তর্গত তপন বিধানসভা এলাকায় আদিবাসী পরিবারের প্রায় ২০০ জন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এটা ভাল চোখে দেখেননি তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ। তৃণমূলের গুন্ডারা ভয় দেখিয়ে জোর করে তাঁদের আবার তৃণমূলে যোগদান করিয়েছে। এটা যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হত, তা হলে আমাদের কিছু বলার ছিল না। কিন্তু অমানবিক ভাবে জোর করে তাঁদের দণ্ডি কাটতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ 

রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি জাতীয় তফসিলি জনজাতি কমিশনের চেয়ারপার্সনকেও চিঠি লিখেছেন সুকান্ত। তপনের ঘটনায় অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এই ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

পরিস্থিতি সামলাতে শাসক শিবির ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।  প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে  মহিলা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে স্নেহলতা হেমব্রমকে।


You might also like!