
কলকাতা : "কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অনুমতি দিলে মণিপুরে যেতে চাই। মণিপুরে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছি।" মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন মণিপুরে গিয়ে কী হবে ? পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, কী অবস্থা মণিপুরের ? জানতে চাই।মণিপুরের অশান্তি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও উদ্যোগী হয়েছেন। ১০ বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইম্ফলে গিয়ে অনশনরত ইরম শর্মিলা চানুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তখন তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন, অনশন তুলে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে। এবারও জ্বলছে মণিপুর। তাই শান্তির বার্তা দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী।
মে মাসেও মণিপুর জুড়ে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি অব্যাহত। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মণিপুর গিয়ে পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। অমিত শাহ এবং তাঁর মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই–সহ উচ্চপদস্থ অফিসাররা এখন মণিপুরে। এমনকী সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে–সহ পদস্থ সেনা কর্তারা হাজির সেখানে। কিন্তু পাহাড়ি রাজ্য এখনও স্বাভাবিক হয়নি। তার মধ্যেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে যেতে চান শান্তি ফেরাতে।
প্রসঙ্গত, ইম্ফল উপত্যকায় এবং এর আশেপাশে বসবাসকারী মেইটিস এবং পাহাড়ে বসতি স্থাপনকারী কুকি উপজাতির মধ্যে জাতিগত হিংসা, তফসিলি উপজাতি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ চলছে মণিপুরে।
