
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ফিবছর বর্ষা এলেই পথচারিদের আতঙ্ক বাড়তে থাকে, প্রতি বছরই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে শহর কলকাতাতে। সরকারি নথি অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বৃষ্টির মধ্যে পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে। যার মধ্যে সব চেয়ে বেশি শোরগোল পড়েছিল গত বছর হরিদেবপুরে এবং তার আগের বছর রাজভবনের কাছে বাতিস্তম্ভের খোলা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাটি। তারপরও হুঁস ফেরেনি কোনো পক্ষেরই।
চোখ ফেরালেই গলি থেকে রাজপথ সর্বোত্রই নজরে পড়ছে গাফিলতির, তিলজলা, ট্যাংরা, তপসিয়া, রবীন্দ্র সরণি, মানিকতলা রোড, ক্যানাল ইস্ট রোড, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানা সংলগ্ন রাস্তার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন অলিগলিতেও রয়েছে বাতিস্তম্ভের খোলা তার। কোথাও বিপজ্জনক ভাবে খোলা রয়েছে ঢাকনা, কোথাও বাতিস্তম্ভে ঢাকনাই নেই। কসবা, যাদবপুর, ভবানীপুর, টালিগঞ্জ-সহ বেশ কিছু এলাকায় আবার বাতিস্তম্ভের খোলা অংশে প্লাস্টিক বা কালো টেপ জড়িয়ে জোড়াতালি দিয়ে রাখা হয়েছে।
এপ্রসঙ্গে মেয়র পারিষদ (আলো) সন্দীপরঞ্জন বক্সী এ দিন বললেন, ‘‘ওই সমস্ত ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এ বছর বর্ষার শুরুতে গাড়ি করে প্রতিটি পুরসভায় প্রচার চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে জল জমলেই শহরের প্রায় দেড় লক্ষ ত্রিফলা আলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, পুরসভার প্রায় তিন লক্ষ খুঁটি রয়েছে। সেগুলির আর্থিং ঠিকঠাক আছে কি না, তা দেখে নিতে গত বছর প্রতিটি পুরসভায় আর্থ-মেজ়ার যন্ত্র কেনা হয়েছিল। ওই যন্ত্রগুলিও এখন ব্যবহার করা হচ্ছে। এর পরেও খুঁটিতে বিপজ্জনক কিছু চোখে পড়লে দ্রুত পদক্ষেপ করতে বলেছি। যেখানে যা সমস্যা রয়েছে, সবটা দ্রুত দেখে নেওয়া হচ্ছে।’’
