Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

kolkata

2 years ago

CAA: প্রাক নির্বাচন লগ্নেই চালু সিএএ! মতুয়ারা কতটা লাভ পাবেন? তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা

CAA launched before the election! How much profit will Matuara get? Extreme political practice
CAA launched before the election! How much profit will Matuara get? Extreme political practice

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের আগেই চালু সিএএ। কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করতেই মতুয়াদের মধ্যে উচ্ছ্বাস। নতুন করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু। সিএএ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। এই আইন তৈরি হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। মোদি সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে। আইন তৈরি হলেও তা এত বছরে চালু হয়নি। অবশেষে তা কার্যকর হল চব্বিশের লোকসভা ভোটের ঠিক আগে।

এতে মতুয়ারা উচ্ছ্বসিত। তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল নাগরিকত্বের। প্রথমে বিল। তারপর আইন। আইন তৈরির চার বছর পরে জারি হল রুল। চালু হল আইন। কিন্তু, তাতে তরজা থামছে না। শাসক শিবির ঘনিষ্ঠ মতুয়াদের কথায়, সিএএ কার্যকর হওয়ায় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল মতুয়াদের। এরা সত্যি সত্যি অধিকার থেকে টোটাল বঞ্চিত হয়ে যাবে। তাদের আর কেউ বাঁচাতে পারবে না। ফর্ম ভরার পরে। পাল্টা শান্তনু ঠাকুরের কথায়, ‘‘অশিক্ষিতদের মতো কথা বলছে তৃণমূল।’’ মতুয়া। বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তু। দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় রয়েছে মতুয়াদের প্রভাব।

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে এই মতুয়াদের সিএএ নিয়ে প্রতিশ্রুতি দেয় বিজেপি। এর ফলও মেলে। রাজ্যের মতুয়া প্রভাবিত বনগাঁ এবং রাণাঘাট লোকসভা আসনে উনিশের ভোটে পদ্ম ফোটে। ২০১৯-এ আইন তৈরি করলেও এতদিনে তা কার্যকর করেনি মোদি সরকার। এতে মতুয়াদের অনেকের মনেই সিএএ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ‘‘এর প্রভাব পড়ে একুশের বিধানসভা ভোটে।’’ পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যের মতুয়া প্রভাবিত ৮৩ বিধানসভা আসনের মধ্যে ৫৩টিতে জেতে তৃণমূল। ৩০টিতে বিজেপি।

দক্ষিণবঙ্গে যেমন মতুয়া, তেমনই উত্তরবঙ্গে রাজবংশীদের দাবি ছিল সিএএ। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দুই দিনাজপুর এবং উত্তর মালদহে এই রাজবংশীরা ফ্যাক্টর। উত্তরবঙ্গে রাজবংশী ভোট প্রায় তিরিশ শতাংশ । উত্তরবঙ্গের ৫৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে তিরিশটি আসনে রাজবংশী ভোট ২৫ শতাংশের বেশি। সামনেই লোকসভা ভোট। তার আগে সিএএ চালু করে দিল মোদি সরকার। এর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কতটা পড়ে সেটাই এখন দেখার।

You might also like!