
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: তীব্র গরমে দিনের শুরুতেই শরীর যেন ম্যাজম্যাজ করতে থাকে। রোদের তাপ আর আর্দ্রতার জেরে অনেকেরই খিদে কমে যায়, আবার ভারী খাবার খেলেও অস্বস্তি হয়। এই সময় শরীর ঠান্ডা রাখা ও পর্যাপ্ত এনার্জি বজায় রাখতে দরকার হালকা, পুষ্টিকর এবং সহজপাচ্য খাবার। আর সেই তালিকায় দই স্যান্ডউইচ হতে পারে একদম আদর্শ জলখাবার। মাত্র ১০ মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় এই সুস্বাদু পদ। দইয়ে রয়েছে প্রোবায়োটিক, যা হজমে সাহায্য করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখে। অন্যদিকে সবজি ও পাউরুটির মিশ্রণে মিলবে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণও।
∆ দই স্যান্ডউইচ বানাতে লাগবে চার স্লাইস পাউরুটি এবং এক কাপ ঘন টক দই। সঙ্গে রাখুন কুচানো শসা, টমেটো, পেঁয়াজ, ধনেপাতা ও মাখন। স্বাদের জন্য লাগবে নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো, ভাজা জিরে গুঁড়ো এবং পুদিনার চাটনি।
∆ প্রথমে একটি বড় পাত্রে ঘন টক দইটি নিয়ে নিতে হবে। এবার একটি চামচ বা হুইস্কের সাহায্যে দইটিকে সামান্য ফেটিয়ে নিন। দই যত মসৃণ হবে, স্যান্ডউইচের স্বাদ ততই খোলতাই হবে। দই ফেটানো হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে সবজিগুলো তৈরি করে রাখুন। শসা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে গ্রেট করে নিতে হবে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ, টমেটো এবং ধনেপাতা কুচিয়ে আলাদা রেখে দিন। এবার ফেটানো দইয়ের মধ্যে গ্রেট করা শসা ও কুচানো সবজিগুলো দিয়ে দিন। এর সঙ্গে পরিমাণমতো নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং ভাজা জিরে গুঁড়ো মেশাতে হবে। সমস্ত উপকরণ চামচ দিয়ে ভালো করে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন।
∆ এবার স্যান্ডউইচ তৈরির পালা, যার জন্য দুটি পাউরুটি নিতে হবে। একটি পাউরুটির স্লাইসে সামান্য পুদিনার চাটনি ভালো করে মাখিয়ে নিন। তার ওপর অন্তত দু-চামচ তৈরি করে রাখা দইয়ের মিশ্রণটি সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। অন্য পাউরুটির স্লাইসটিতে সামান্য হলুদ মাখন মাখিয়ে নিতে হবে। এবার মাখন লাগানো স্লাইসটি দিয়ে দইয়ের মিশ্রণ ঢাকা পাউরুটিটি চেপে দিন। চাইলে ওপর থেকেও সামান্য মাখন ব্রাশ করে নিন। এবার স্যান্ডউইচ মেকারে সামান্য মাখন দিয়ে পাউরুটি দুটি টোস্ট করে নিন। হালকা সোনালি এবং মুচমুচে হয়ে এলে এটি স্যান্ডউইচ মেকার থেকে নামিয়ে নিন। মাঝখান থেকে কোণাকুণি কেটে পুদিনা ও ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
এই স্যান্ডউইচ শুধু সুস্বাদুই নয়, গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতেও সাহায্য করে। অফিস, স্কুল বা সকালের তাড়াহুড়োর মধ্যেও খুব সহজে তৈরি করা যায় এই জলখাবার। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালে তেলমশলাযুক্ত ভারী খাবারের বদলে এমন হালকা ও পুষ্টিকর খাবার শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী।
