
শেওড়াফুলি, ৯ মার্চ : মাছের বাজারে ‘কেষ্ট’-র ছবি দু’দিন ধরে ভেসে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। কিন্তু ভুয়া অনুব্রতের সেই ছবি বিপাকে ফেলেছে শেওড়াফুলি বাজারের মাছবিক্রেতা সুকুমার হালদার ও তাঁর পরিবারকে।
অবিকল সেই মুখ। আর বিক্রি করছেন মাছই। এক সময় মাছ বিক্রিই করতেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও। দুইয়ে দুইয়ে চার করে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল ঝড় এই ছবিকে কেন্দ্র করে। জানা গেল, সুকুমার হালদার সামান্য মাছ ব্যবসায়ী। এই ছবি ছড়িয়ে পড়তে বিড়ম্বনায় পড়েছেন তিনি। গরু পাচার দুর্নীতির সঙ্গে যার দূর-দূরান্তে সম্পর্ক নেই, তা সত্ত্বেও অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর নাম জুড়ে যাওয়ায় আক্ষেপ করতে শোনা গিয়েছে সুকুমার বাবুর গলায়। রীতিমতো বিরক্ত তাঁর স্ত্রী শুক্লাদেবীও।
শুক্লাদেবী বললেন, “আমার স্বামী অনুব্রত? কী অবস্থা। আমারা খুব অভাবী। অনেক কষ্ট করে এই ব্যবসা দাঁড় করিয়েছি। গরু পাচারকারী একজন অপরাধীর সঙ্গে আমার স্বামীর তুলনা? আমরা লক্ষ্মী ভান্ডারের টাকায় চাল কিনি। যে আমার স্বামীর ছবি তুলে এমন ছড়িয়ে দিয়েছে তার উপযপুক্ত শাস্তি চাই।”
শেওড়াফুলি মাছ বাজারে গত ৩০ বছর ধরে মাছ বিক্রি করছেন সুকুমার হালদার। তিনি শেওড়াফুলি নিমাইতীর্থ ঘাট এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সুকুমারের পাশে বসে মাছ বিক্রি করেন আর এক ব্যবসায়ী রানা পাত্র। সুকুমারকে যে অনুব্রতর মত দেখতে তা কোনও দিন নজরে আসেনি তাঁর। তবে ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর ভাবছেন তিনিও। শেওড়াফুলি বাজারের আরও এক ব্যবসায়ী ব্রজ সাহা বলেন,”আমার মোবাইলেও পাঠিয়েছে একজন ছবিটা। এটা মজার ছলে করা হয়েছে। আমি ভাবলাম শেওড়াফুলিতে আবার অনুব্রত এলো কোথা থেকে?
