
কলকাতা, ১০ মার্চঃ শুক্রবার সরকারী কর্মীদের কর্মবিরতিকে ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া যায়। সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গোলমালের খবর আসতে থাকে।
ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে কোথাও জোর করে স্কুল বা সরকারি কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আবার শাসকদলের কর্মী এবং সমর্থকদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয় হয়ে কার্যালয় খুলে রাখার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের একাংশ।
ডিএ-ধর্মঘটের সমর্থনে হুগলি জেলা শিক্ষা ভবনের গেট বন্ধ করে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। কয়েক জন বিজেপি কর্মী গেটের সামনে বিক্ষোভও দেখান। হাওড়ার বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুক্রবার ক্লাস নেননি বেশ কয়েক জন শিক্ষক।
ডিএ নিয়ে ধর্মঘটে শামিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা তাপস চক্রবর্তী বলেন, “ধর্মঘটের সর্বাত্মক প্রভাব পড়েছে।” খাদ্য ভবন, নব মহাকরণে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। কর্মচারীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন কো-অর্ডিনেশন কমিটিও শুক্রবারের ধর্মঘটে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রভাবিত সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের নেতা মনোজ চক্রবর্তী অবশ্য এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘ধর্মঘটের বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি রাজ্যে। নবান্নে অন্য দিনের তুলনায় হাজিরার পরিমাণ বেশি। রাজ্যের প্রধান সচিবালয়কেই তো অচল করতে পারলেন না ধর্মঘটীরা।” এর পাশাপাশি তাঁর দাবি, বিকাশ ভবন, জলসম্পদ ভবনের মতো বিধাননগরে অবস্থিত সমস্ত সরকারি কার্যালয়ে উপস্থিতির হার অন্য দিনের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে।
