
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতি বিতর্কের মাঝেই সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীর চাকরি পাওয়া নিয়ে তোলপাড় হয়ে হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এই আবহেই সিপিএমের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাক্তন সম্পাদক সমীর পুততুন্ড-র কর বিষ্ফোরক মন্তব্যে ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে মিলি দেবীর চাকরি নিয়ে।
বর্তমানে পিডিএস নেতা সমীর পুততুন্ড। সমীরবাবুর সাফ কথা, ‘দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে কাজের একটা সুযোগ ছিল। করে দিয়েছিলাম।’সমীর বাবু বলেন- ১৯৮৫ সালে জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হয়েছিলেন। তারপর দলের জেলা সম্পাদক হন। তাঁর দাবি, ‘সুজনের বিয়ের আগের ঘটনা। মিলির চাকরিটা হয়ে গেলে সুজনদের সুবিধা হবে। আমায় তখন বারবার তাই ইনসিস্ট করা হয়েছিল। তখন গড়িয়ার দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে কাজের একটা সুযোগ ছিল। করে দিয়েছিলাম।’পিডিএস নেতার কথায়, ‘এভাবে কত লোকের চাকরি হয়েছে। প্রাক্তন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী সত্যসাধন চক্রবর্তীর সুবিধার জন্য কত কিছুকরতে হয়েছে তখন। আমি ইউনিভার্সিটির সেনেট মেম্বার ছিলাম, সে সময়ে ইউনিভার্সিটি চালানোর জন্যও কিছু রিক্রুটমেন্ট হয়েছে। প্রশাসনের কাজ চালানোর জন্যও লোক নিতে হয়েছে। এগুলো সবই হয়েছে পার্টির নির্দেশেই।’ অর্থাৎ দলের নির্দেশেই সেই সময় বহু নিয়োগ হয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন সমীর পুততুন্ড।
তৃণমূল জমানায় টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘আমি ২০০১ সালে সিপিএম ছেড়ে দিয়েছি। ততদিন অন্তত টাকার বিনিময়ে চাকরির বিষয়টি চালু হয়নি।’
