kolkata

3 years ago

The Kollata High Court : ভিসি নিয়োগ মামলার রায়দান প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের, বড় ধাক্কা রাজ্যের

Calcutta High Court
Calcutta High Court

 

কলকাতা, ১৪ মার্চ : পশ্চিমবঙ্গের সরকারি নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ মামলার রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। এতে বড় ধাক্কা রাজ্যের। মামলাকারীর আবেদন গৃহীত হয়েছে। যে সব উপাচার্যকে সচিবের চিঠিতে নিয়োগ করা হয়েছিলো, তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

যাঁদের কার্যকাল শেষ হওয়ার পরে রাজ্য নিয়োগ দিয়েছিল, তাঁদের নিয়োগও বাতিল হল। যাঁদের সময়কাল শেষ হয়ে গেছে তাদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলো না আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, রাজ্যের কোন এক্তিয়ার নেই উপাচার্য নিয়োগের।অর্থাৎ, উপাচার্য নিয়োগ করার কোনও ক্ষমতা রাজ্য সরকারের হাতে থাকবে না। পাশাপাশি, রাজ্যের নিয়োগ করা সকল উপাচার্যকে পদ থেকে খারিজ করার নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।

অন্য কথায়, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিয়োগ বা পুনর্নিয়োগের ক্ষমতা নেই রাজ্যের। রায় ঘোষণা করে জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় দিয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্যদের একমাত্র নিয়োগ করতে পারবেন আচার্য।

২০২১-এর ডিসেম্বরে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন। রাজ্যপালের দেওয়া তালিকায় গৌড়বঙ্গ, আলিপুরদুয়ার, বর্ধমানের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও ছিল। এর পর কলকাতা, যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি, রবীন্দ্রভারতী-সহ রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মবহির্ভূত ভাবে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন অনুপম বেরা।

এই রায়ের ফলে সম্প্রতি আচার্য তথা রাজ্যপাল উপাচার্যদের অন্তর্বর্তীকালীন যে নিয়োগ করেছিলেন, তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। শিক্ষামহলের একাংশের দাবি, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আচার্য তথা রাজ্যপাল একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তিন মাসের জন্য পুনর্নিয়োগ করেছিলেন। যা ‘বৈধ’। আদালত বলেছে, উপাচার্যদের নিয়োগ করতে পারবেন আচার্য (রাজ্যপাল)। ফলে এই রায়ের প্রভাব সেই উপাচার্যদের উপর পড়বে না। আবার অন্য একটি ব্যাখ্যা হল, আচার্য যে নিয়োগ করেছিলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন’। ‘পাকাপাকি’ নয়। ফলে আদালতের এই রায়ের ফলে সেটি নিয়েও নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে।


You might also like!