
নয়াদিল্লি, ৮ মার্চ : অনুব্রতর মণ্ডলকে দফায় দফায় জেরা শুরু হয়েছে। নেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। পুরো জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়াটি ভিডিয়োগ্রাফি করে রাখা হচ্ছে। জেরার সময়কার কোনও ঘটনাকে কেন্দ্র করে আচমকা তৃণমূল যাতে হইচই করার সুযোগ না পায়, সেকারণে এই সতর্কতা।
মঙ্গলবার গভীর রাতে অনুব্রতর মণ্ডলকে হেফাজতে পাওয়ার পর কালক্ষেপ না-করে বুধবার সকাল থেকেই তাঁকে জেরা করা শুরু করে দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মাঝখানে আধঘণ্টার জন্য অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সরকারি হাসপাতালে। সেখান থেকে ফেরার পর আবার জেরা শুরু হয়েছে। এ সময় ইডির আইনজীবী হাজির থাকছেন। জেরার সময়ে তাঁকে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছিলেন অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত জৈন।
বুধবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায়। বুধবার ‘হোলি’ তথা ছুটির দিন হলেও ইডির অফিসারেরা অনুব্রতকে তাঁদের সদর দফতরে জেরা করা শুরু করেন। তবে বিচারক অনুব্রতের দৈনিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর নির্দেশ দেন। তাই সকালের কিছু পরে তাঁকে রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আধঘণ্টা ধরে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরে আবার অনুব্রতকে ইডির সদর দফতরে এনে জেরা করা শুরু হয়েছে।
বুধবার বিকেলে অনুব্রতের সঙ্গে দেখা করতে আসার কথা তাঁর আইনজীবীর। বিচারকের নির্দেশেই অনুব্রতের আইনজীবী তাঁর সঙ্গে রোজ দেখা করতে পারবেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে বিচারক রাকেশ কুমার দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে অনুব্রতকে ৩ দিন ইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১০ মার্চ সকালে ফের অনুব্রতকে আদালতে হাজির করাবে ইডি। সেই সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা গরু পাচারের বিপুল টাকা কোথায় গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে তা জানার চেষ্টা করবে। আদালতে এমনটাই দাবি করেছেন ইডির আইনজীবী।
