
কলকাতা, ৩ মার্চ : স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি-র ১৯১১টি শূন্যপদে আপাতত নতুন নিয়োগ করতে পারবে না স্কুল সার্ভিস কমিশন। শুক্রবার এই বিষয়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ঋষিকেশ রায় এবং বিচারপতি সঞ্জয় করলের ডিভিশন বেঞ্চ এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত এদিন আরও নির্দেশ দিয়েছে, এই মামলায় সিবিআইকে পার্টি করতে হবে। আগামী মার্চের শেষ সপ্তাহে বা এপ্রিল মাসের প্রথমে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
১৯১১ জন গ্রুপ ডি কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিপ্রাপকদের একাংশ। সেই মামলায় শীর্ষ আদালত ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তবে ওই শূন্যপদে নিয়োগের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত।
২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাঁরা বসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ওএমআর বিকৃত করা হয়েছিল ২৮২৩ জনের। আদালতে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাঁদের মধ্যে ১৯১১ জন চাকরি করছিল রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সেই ১৯১১ জনের ওএমআর শিট কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁদের চাকরি বাতিল করেন ও বেতন ফেরতের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যান কর্মীরা। কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ বেতন ফেরত নিয়ে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেন। যদিও চাকরি বাতিল নিয়ে কোনও নির্দেশ দেননি বিচারপতি। তারপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ১৯১১ জন চাকরি হারানো গ্রুপ ডি কর্মী।
