কলকাতা

Kolkata Municipal Corporation : কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন নিয়ে হিসেব কষছে পুরসভা

কলকাতা, ২৫ অক্টোবর  : শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে কী পদ্ধতিতে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন করা হবে, আদৌ করা হবে কি না, তা নিয়ে হিসেব কষছে পুরসভা। সোমবার পুরভবনে এ নিয়ে বৈঠক হচ্ছে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় বাড়বাড়ন্ত দেখা গিয়েছিল মূলত দক্ষিণ, সংযুক্ত ও পূর্ব কলকাতায়। পুজোয় বিধি না মানার ফলে ফের বাড়তে শুরু করেছে দৈনিক সংক্রামিতের সংখ্যা। চিন্তা বাড়িয়েছে সেই একই এলাকা। রুবি, কসবা, মুকুন্দপুর, গড়িয়া, পাটুলি, সন্তোষপুর, গল্ফগ্রিন, বিজয়গড়, আজাদগড়, ব্রহ্মপুর, কুঁদঘাট, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, জোকা এখন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে পুর প্রশাসনের। কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে, দৈনিক আক্রান্তের মধ্যে ৬০ শতাংশই রয়েছে শহরের চারটি জোনে।

সূত্রের খবর, গত কয়েকদিনে উদ্বেগ বাড়িয়েছে কলকাতার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডেই আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত দু’সপ্তাহে দৈনিক আক্রান্ত এখানে ১৪০ ছুঁয়েছে। এছাড়াও ৯৪, ৯৬, ৯৭, ৯৮, ১০০, ১০১, ১০৪, ১০৭, ১১০, ১১১, ১১২, ১১৩, ১১৪, ১২৩, ১২৪, ১২৫, ১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডগুলি থেকেও সংক্রমণের খবর আসছে। বরোভিত্তিক হিসেব বলছে, শহরের ১৬টি বরোর মধ্যে চারটি বরো অর্থাৎ ১০, ১১, ১২ এবং ১৬-তেই সবথেকে বেশি নাগরিক আক্রান্ত হচ্ছেন। যেমন, শনিবার ১০ নম্বর বরো অর্থাৎ গল্ফগ্রিন, বিজয়গড়, আজাদগড়, শ্রী কলোনি ১ ও ২, বিদ্যাসাগর সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ৩৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এখানে আগেও আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে বরোর কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত বলেন, সব থেকে বেশি সংখ্যক ওয়ার্ড এই বরোতেই রয়েছে। তাই আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়াই স্বাভাবিক।