কলকাতা

রূদ্রনীলের বিরুদ্ধে ‘মি টু’ অভিযোগ, সরব নেটিজেনরা

কলকাতা, ৬ মে: নীলাঞ্জনা পাণ্ডে এক মহিলা ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে চরিত্রহননের অভিযোগ করেছেন অভিনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী রূদ্রনীল ঘোষের বিরুদ্ধে। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে চর্চা হচ্ছে। রূদ্রনীল অবশ্য দৃঢ়তার সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে, অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে চর্চা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। বিতর্ক ওঠার পর কৌতূহুলীদের মধ্যে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে, কে এই নীলাঞ্জনা? ফেসবুক প্রোফাইভে নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে জানিয়েছেন তিনি অবিবাহিতা। হাওড়ায় থাকেন। পড়েছেন বিই কলেজ মডেল স্কুল ও স্কটিশ চার্চ কলেজে। রামকৃষ্ণ মিশন কালচারাল ইন্সটিট্যুটে রুশ ভাষা শিখেছেন। অভিনেত্রী ছিলেন নানা প্রযোজনায়। শ্রীভেঙ্কটেশ ফিল্ম-সহ বিভিন্ন প্রযোজনা সংস্থা কাজ করেছেন স্ক্রিপ্ট রাইটার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, মিডিয়া ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার, সহ পরিচালক হিসাবে। 
এ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর প্রচুর প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন নীলাঞ্জনা। নারায়ণ রায় লিখেছেন, “সত্য কথাটা সবাইকে জানানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। সুমনা দাস ভৌমিক লিখেছেন, “ভগবান বিচার করে দিলেন“। কৌশিক দে লিখেছেন, “ঈশ্বরের মার মুখ বুঁজে খেতে হয়।“ অর্পিতা চ্যাটার্জি লিখেছেন, “পাপ বাপকেও ছাড়ে না। ঠিক সময়ে উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে।“ 
সুদীপ ঘোষ লিখেছেন, “একজন ধান্দাবাজ অভিনেতা।“ সব্যসাচী বসু লিখেছেন, “একজন ধান্দাবাজ আর অত্যন্ত নীচ এবং জঘন্য মানুষ. এখন থেকেই ধান্দা করতে শুরু করে দিয়েছে কি ভাবে তৃণমূলে ফেরা যায়. এইসব লোককে অনুব্রত'র ভাষায় শুঁটিয়ে লাল করে দেয়া উচিত. গিরগিটিরা লজ্জা পায়।“ গালিব চৌধুরী লিখেছেন, “অথচ লোকে ভাবতো দাদা সাতে পাঁচে থাকেন না, বারান্দা থেকে নামেন না। সব ভন্ডের মুখোশ উন্মোচন হোক।“